নামঃ সরকার অসীম কুমার
| সহকারী কমিশনার (ভূমি) | কানুনগো | সার্ভেয়ার | অফিস সহকারী | প্রসেস সার্ভার | চেইনম্যান | এম.এল.এস.এস | নৈশ্য প্রহরী |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| 0১ | -- | ০১ | ০৪ | ০২ | ০২ | ০২ | ০১ |
| উপজেলার নাম | খাতের নাম | স্লাব ভিত্তিক জমির পরিমান | কৃষি জমি | অকৃষি জমি | মোট জমি | মোট হোল্ডিং | ||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| জমির পরিমান | হোল্ডিং সংখ্যা | জমির পরিমান | হোল্ডিং সংখ্যা | |||||
| নাচোল | সাধারণ | ২৫ বিঘা পর্যন্ত | ৪৭৫২০.৫৪ | ৪৪৭২৭ | ৩৪৫৪.১০ | ৫১৪২ | ৫০৯৭৪.৬৪ | ৪৯৮৬৯ |
| ২৫.০১-৩০ বিঘা পর্যন্ত | ৭২০১.১২ | ৪৯৮৯ | ১১০.৮০ | ১৯৪ | ৭৩১১.৯৮ | ৫১৮৩ | ||
| ৩০ বিঘার উর্দ্ধে | ৬৩৬১.৩৬ | ৪০২৩ | ১৫৯.৪২ | ২০৪ | ৬৫২০.৭৮ | ৪২২৭ | ||
| সংস্থা | - | ১৬৫.২৮ | ৩৪ | ২৭৭.৫০ | ৬৫ | ৪৪২.৭৮ | ৯৯ | |
| উপজেলার মোট= | ৬১২৪৮.৩০ | ৫৩৩৭৩ | ৪০০১.৮২ | ৫৬০৫ | ৬৫২৫০.১২ | ৫৯৩৩৮ | ||
| অর্থ বছর | মোট দাবী | ৩০ শে জুন মোট আদায় | শতকরা হার |
|---|---|---|---|
| ২০০৫-০৬ | ৩৭,৫১,২৯৯/- | ৩৬,৫৯,৬৫০/- | ৯৭.৫৬% |
| ২০০৬-০৭ | ২৯,৩১,৭৬২/- | ২৯,৫৭,৯২৫/- | ১০০.৮৯% |
| ২০০৭-০৮ | ২৩,০৮,৩৫৮/- | ২৩,০৮,৩৫৮/- | ১০০% |
| ২০০৮-০৯ | ৩২,১২,৯১৬/- | ৩২,১৮,৯৭৭/- | ১০০.১৯% |
| ২০০৯-১০ | ৪০,১৬,৩৯৯/- | ৪০,১৬,৩৯৯/- | ১০০% |
| ২০১০-১১ | ৩৪,৬০,৭৮৫/- | ৩৪,৬০,৭৮৫/- | ১০০% |
| ২০১১-১২ | ৩৮,৩৫,৮০০/- | ৩৮,৩৫,৮০০/- | ১০০% |
| ২০১২-১৩ | ৪৪,২৩,৪৯৮/- | ৪৪,২৩,৪৯৮/- | ১০০% |
| ২০১৩-১৪ | ৪৫,১৮,৪৫৩/- | ৪৫,১৮,৪৫৩/- | ১০০% |
| ২০১৪-১৫ | ৪৬,১৫,৭৩৩/- | ৪৬,১৫,৭৩৩/- | ১০০% |
| ক্রমিক নং | আদায়ের খাত | ভূমি উন্নয়ন করের দাবির পরিমান | মোট আদায় ৩০.০৭.১৫ পর্যন্ত | ||
|---|---|---|---|---|---|
| বকেয়া | হাল | মোট | |||
| ০১ | সাধারন | ১৬০০৩৮৩/- | ৩১৮৩০০০/- | ৪৭৮৩৩৮৩/- | ৪৭১৩৫২/- |
| ০২ | সংস্থা | ৭৯২৯০৭/- | ৪৭৯৮৪৮/- | ১২৭২৭৫৫/- | ১১৯৮/- |
| ক্রমিক নং | মোট হাট বাজারের সংখ্যা | মিস কেসের মাধ্যমে হাট বাজারের স্কেচম্যাপ অনুমোদনের জন্য জেলা অফিসে প্রেরণ সংখ্যা | জেলা অফিস কর্তৃক হাট বাজারের স্কেচম্যাপ অনুমোদিত সংখ্যা | পেরীফেরী হয়নি |
|---|---|---|---|---|
| ০১ | ২০টি | ২০টি | ১৮টি | ০২টি |
| ক্রমিক নং | মোট জলমহালের সংখ্যা | লীজ প্রদানকৃত জলমহালের সংখ্যা | জনসাধারনের জন্য সংরক্ষিত পুকুর | অবশিষ্ট পুকুর | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|---|
| ০১ | ১০৮৫ | ২০৬ | ১৭৪ | ৭০৫ | অবশিষ্ট পুকুরগুলি লীজের কার্যক্রম চলমান |
| ক্রমিক নং | উপজেলার নাম | মোট খাস জমির পরিমান | বন্দোবস্তকৃত খাস জমির পরিমান | অবশিষ্ট খাস জমির পরিমান | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|---|
| ০১ | নাচোল | ১৮৫৫.৯৯ একর | ১৮৩২.২২ একর | ২৩.৭৭ একর | অবশিষ্ট খাস জমির কার্যক্রম চলমান |
| ক্রমিক নং | উপজেলার নাম | অর্থ বছর | প্রাপ্ত ভূমিহীন পরিবারের সংখ্যা | প্রাপ্ত বন্দোবস্তকৃত জমির পরিমান |
|---|---|---|---|---|
| ০১ | নাচোল | ২০১০-১১ | ১৩ জন | ২.৮৬০০ একর |
| ০২ | নাচোল | ২০১১-১২ | ২৬ জন | ৬.৫৮৫০ একর |
| ০৩ | নাচোল | ২০১২-১৩ | ৩৩ জন | ৬.৯৬৫০ একর |
| ০৪ | নাচোল | ২০১৩-১৪ | ৫০ জন | ৮.৭৭০০ একর |
| ০৫ | নাচোল | ২০১৪-১৫ | ৪৯ জন | ৬.১১৪১ একর |
| উপজেলার নাম | মোট অর্পিত সম্পত্তি (একরে) | লীজ কেসভূক্ত সম্পত্তি (একরে) | লীজ কেস (সংখ্যা) | ভূমি উন্নয়ন করের দাবির পরিমান | ||
|---|---|---|---|---|---|---|
| বকেয়া | হাল | মোট | ||||
| নাচোল | ২১৫.৭৫৯৭ | ২১৩.০৯৩ | ৯৫ | ১,৮৩,০৭৫/- | ১,০৬,৫৪৭/- | ২,৮৯,১২২/- |
নেজামপুর ইউনিয়নে মৌজার সংখ্যা- ৫৫ টি।
নাচোল ইউনিয়নে মৌজার সংখ্যা- ৪৫ টি।
ফতেপুর ইউনিয়নে মৌজার সংখ্যা- ৬০ টি।
কসবা ইউনিয়নে মৌজার সংখ্যা- ৪১ টি।
মূলতঃ দেওয়ানী আদালতের প্রদত্ত রায় ও ডিক্রী তামিল করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের প্রেক্ষিতে The State Acquisition & Tenancy Act এর ১৪৩ ধারা মতে যে কেস বা মামলা দায়ের করা হয় তাই মিস কেস বা ডিক্রী কেস। তাছাড়া নামজারী ও জমা খারিজের অনুমোদনের ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত খারিজ/নামজারী কেসের সংশোধন বা বাতিলের জন্যও এ ধরনের কেস দায়ের করা হয়।
সাম্প্রতিক ভূমি মন্ত্রণালয়ের ২৩.০৯.২০১৫খ্রিঃ তারিখের ৩১.০০.০০০০.০৪২.৬৭.০৩১.১১.৮৪১ নং স্মারকের জারীকৃত পরিপত্রের নির্দেশনা মোতাবেক ঝঅখঞ অপঃ. ১৯৫০ এর ১৪৩ ধারামতে এবং প্রজাস্বত্ত্ব বিধিমালা, ১৯৫৫ এর ২৩ এর উপ বিধি (৩) অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত রেকর্ডের করনিক ভুল সংশোধন, ২২ বিধির উপ বিধি (১) অনুযায়ী খতিয়ানে দৃষ্ট করণিক ভুল সংশোধন (যেমন নামের ভুল, অংশ বসানো ভুল, ম্যাপের সংগে রেকর্ডের ভুল, জরিপ কালে পিতার মৃত্যান্তে সন্তানদের নামে রেকর্ড না হওয়া ইত্যাদি) সংশোধনের জন্যও আবেদনের প্রেক্ষিতে মিস কেস রুজু করা হয়।
দেওয়ানী আদালতের প্রদত্ত রায় ও ডিক্রী মূলে প্রতিকার চাওয়া হলে সংশ্লিষ্ট কেসের রায় ও ডিক্রীর সার্টিফাইড কপিসহ এসএ ও আরএস খতিয়ান কপি ও প্রয়োজনীয় দলিলপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) সহ সাদা কাগজের দরখাস্তে ২০/- টাকার কোর্ট ফি সহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবরে দাখিল করতে হবে।
খারিজ/নামজারী কেসের বাতিল/সংশোধন কিংবা উল্লিখিত করনিক ভুল সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, দলিলপত্র, খতিয়ান কপির সার্টিফাইড কপিসহ ২০/- টাকার কোর্ট ফি সহ একইভাবে দরখাস্ত দাখিল করতে হবে।
আবেদনকারীর আবেদন প্রাপ্তির পর সংযুক্ত কাগজপত্র যাচাইসহ সেরেস্তাগত তদন্ত প্রতিবেদন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন সহকারী কর্মকর্তা এর নিকট সংগ্রহ করতঃ একটি মিস কেস চালু করা হয় এবং শুনানীর জন্য পক্ষদের নোটিশ দেয়া হয়। এক/একাধিক নির্ধারিত তারিখে শুনানী গ্রহণ পূর্বক চূড়ান্ত আদেশ প্রদান করা হয়।
মিস কেসের চূড়ান্ত আদেশ মোতাবেক উপজেলা ভূমি অফিসের সংশ্লিষ্ট রেকর্ড/রেজিস্টার/খতিয়ান সংশোধন করতঃ আদেশ তামিল করার জন্য আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহাকরী কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা হয়।
প্রচীনকাল থেকেই ভূমি থেকে আয়ের একটা অংশ খাজনা হিসেবে প্রদানের বিবিধ চালু ছিল। কোন দলের সর্দার দলের শৃংখলা রক্ষা ও দলের প্রধান হিসেবে খাজনা গ্রহন করতেন। এ সময় থেকেই খাজনা কখনও অর্থের দ্বারা কখনও পরিমাপযোগ্য দ্রব্য দ্বারা কখনও উৎপাদিত ফসলের একটা অংশ দ্বারা পরিশোধ করা হতো। খাজনা তখন থেকেই বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল যেমন- খাজনা ,সেস, আবওয়াব, চাঁদা ইত্যাদি।
হিন্দু আমলে উৎপাদিত ফসলের একটা নির্দিষ্ট অংশ রাজাকে প্রদান করা হতো। ফসলের কি পরিমান অংশ রাজাকে প্রদান করা হতো সে বিষয়ে কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া না গেলেও, জানা যায় যে ফসলের এক তৃতীয়াংশ থেকে এক- ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত রাজাকে রাজর্কায পরিচালনা ও শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রদান করা হতো। মুসলিম শাসনামলে প্রাথমিক দিকে প্রচলিত নিয়ম অনুসরন করে ভূমি ব্যবস্থা ছিল। মুসলিম শাসনামলে জমিদারগন স¤্রাটের প্রতিনিধি হিসেবে খাজনা আদায় করতে পারতেন এবং এ জন্য তারা খাজনার আদায়কৃত অংশের একটি আংশিক পরিমান প্রাপ্য হতেন মাত্র । ১৫৪০ সাল হতে ১৫৪৫ সাল পর্যন্ত আফগান শুর বংশীয় নৃপতি শের শাহ সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত ভূমি রাজস্ব নির্ধারণের লক্ষ্যে সর্বপ্রথম ভূমিজরিপ ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন। পরবতীকালে মোঘল স¤্রাট আকবরের শাসনামলে তার উজির টোডরমলের সহযোগিতায় ভূমি ব্যবস্থার আমুল পরিবর্তন সাধিত হয়।মুসলিম শাসন আমলের সবচাইতে উল্লেখযোগ্য ভূমি সংষ্কারক ছিলেন বাদশাহ আকবরের সভাসদ টোডরমল। এ সময় জমির উৎপাদন ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে জমিতে উত্তম, মধ্যম ও অধম এই ৩টি শ্রেণীতে বিভাজন করে শ্রেণীভিত্তিক খাজনা নির্ধারণ করা হয়। তখন উৎপাদিত ফসলের এক-তৃতীয়াংশ খাজনা হিসেবে নির্ধারণ করা হয় ।
১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন তারিখে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজদ্দৌলার পতনের মাধ্যমে এ দেশে ব্রিটিশ শাসন ভিত্তি স্থাপিত হয়। ব্রিটিশ আমলে খাজনার পরিমান হিন্দু ও মুসলিম আমল থেকে অনেক বৃদ্ধি পায়। ব্রিটিশরা দেওয়ানী লাভ করবার পর বাণিজ্যের প্রয়োজন মিটানোর জন্য কোম্পানিকে উচ্চহারে রাজস্ব আদায় করা হতো। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিশ দশসালা বন্দোবস্তের পরিবর্তে “চিরস্বায়ী বন্দোবস্ত’’(Permanent Settlement) প্রথা প্রবর্তন করেন। এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে বাংলার কৃষক জমির মালিকানা হারায় এবং জমিদার ও মধ্যস্বত্বভোগীগন জমির মালিক হয়। এই জমিদার ও মধ্যস্বত্ব শ্রেণী ব্রিটিশদের খাজনা পরিশোধ ও নিজেদের অতিরিক্ত লাভের আশায় কৃষকদের নিকট থেকে অতিরিক্ত খাজনা নির্ধারণ করে আদায় করেতো। এর পরবতী ইতিহাস করুণ ও মর্মস্পশী। জমিদারদের অত্যাচারের ফলে এ দেশের মানুষ বিদ্রোহী হয়ে উঠে। এর ফলে ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহ হয় । এই সিপাহী বিদ্রোহ ও গণঅসন্তোষের কারণে ১৮৫৯ সালে ‘‘রেন্ট এ্যাক্ট’’পাস করে প্রজাদের স্বার্থ রক্ষা ও জমিদার-সরকারের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করা হয়। এর পরবতীতে ১৭৯৩ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইনের স্থলে ব্রিটিশ সরকার ১৮৮৫ সনে বঙ্গিয় প্রজাস্বত্ব আইন পাশ করেন।
১৯৪৭ সালে দেশ বিভক্তির পর প্রাদেশিক পরিষদ উত্থাপিত বিল ১৯৫০ সালে পুর্ববঙ্গ আইন পরিষদে বিস্তারিত আলোচনার পর পাস করে আইনে পরিনত করা হয়। এটি ১৯৫১ সালের ২৮ নং আইন যা ‘‘রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন’’নামে পরিচিত । এ আইনের মাধ্যমে জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ হয়। এ আইনে খাজনার পরিমান নির্ধারন করে দেওয়া হয়। এ আইন প্রবর্তনের পূর্বে কোন খাজনা বকেয়া থাকলে সরকার তা আদায় করবে, কোন ব্যক্তি তা আদায় করতে পারবে না। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর ১০০ ধারায় খাজনা নির্ধারন বিষয়ে বর্ণনা করা আছে সরকার বিভিন্ন সময় র্সাকুলার দিয়ে খাজনার হার পরিবর্তন করতে পারতেন।দেশ স্বাধীনের পর ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৬ সালে ‘‘ভূমি উন্নয়ন কর ’’ অধ্যাদেশ চালু করে সকল শ্রেণীর খাজনা , সেস ইত্যাদি রহিত করে ভূমি উন্নয়নের জন্য প্রগতিশীল হারে ভুমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ করা হয়।
১৯৭৬ সালের ‘‘ভূমি উন্নয়ন কর’’ অধ্যদেশ এ জমির দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয় - কৃষি ও অকৃষি। অকৃষি জমিকে(ক) শিল্প বা বানিজ্যিক (খ) আবাসিক ও অন্যান্য ভাগে বিভক্ত করে ভূমি উন্নয়ন কর নির্ধারণ করা হয় । এ অধ্যাদেশ বাংলা ১৩৮২ সালের ১লা বৈশাখ থেকে কার্যকর হয়।
তহশীলদার (ভূমিসহকারী) প্রত্যেক মালিক পরিবার/ সংস্থার জন্য প্রথমে মৌজাওয়ারী ও পরে তহশীল/ ইউনিয়ন ওয়ারী একটি কৃষি জমির সাময়িক কর নির্ধারণী তালিকা প্রণয়ন করিবেন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে রক্ষিত ১ নং ও ২ নং রেজিস্টার, রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ৯৬ ও ৯৮ নং আদেশ (পি ও নং ৯৬/১৯৭২ এবং ৯৮/১৯৭২) মোতাবেক ইতিপূর্বে দাখিলকৃত জমির বিবরণ ভিত্তিতে প্রথমে প্রতিটি মৌজায় প্রত্যেক মালিক পরিবার/ সংস্থার মেট জমির পরিমাণ ও বিবরণ প্রণয়ন করিয়া ২ নং রেজিষ্টারে নিজ বাসস্থান মৌজায় তাহার নামীয় হোল্ডিং এর মন্তব্য কলামে লিপিবদ্ধ করিতে হইবে। এইভাবে মৌজাওয়ারী মালিক পরিবার/ সংস্থার জমির বিবরণ প্রণীত হওয়ার পর উহা তুলনামূলক পর্যালোচনা করিয়া একটি তহশীল ইউনিয়নওয়ারী তালিকা প্রণয়ন করিতে হইবে। এই ইউনিয়নওয়ারী তালিকার দুইটি কপি প্রণয়ন করিয়া একটি কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে সংরক্ষণ করিতে হইবে এবং অন্য কপি সহকারী কমিশনার(ভূমি) অফিসে প্রেরণ করিতে হইবে। মৌজাওয়ারী ও তহশীল ইউনিয়নওয়ারী তালিকা প্রণয়নের কাজ উপজেলা কানুনগো তদারকি করিবেন এবং অন্ততঃ ২০% তালিকা নিরীক্ষা করিয়া সত্যতা যাচাই করিবেন।
ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়ালের ৩১ বিধিতে বলা হয়েছে যে, ‘‘সরকার বা তাহার ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার লিখিত নির্দেশাবলে নিেের্দশনায় বণির্ত সর্বসাধারণের ব্যবহার্য কবরস্থান ,শ্মশান উপাসানালয়কে ভূমি উন্নয়ন কর মুক্ত বলে ঘোষনা করতে পারবেন।
ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে যে, পারিবারিক গোরস্থান বা উপাসানালয়- এর ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।
কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা ১৯৯৭ মোতাবেক বসতবাটি ব্যতিত অনধিক ০.১০ একর কৃষি জমি আছে এবং পরিবারটি কৃষি নির্ভর হলে তাকে ভূমিহীন পরিবার বলা যাবে।
“ক” তফসিল বা “ক” গেজেটভুক্ত সম্পত্তি: প্রতি বাংলা সন শুরুর পূর্বেই পূর্বের ডিসিআর বা উপযুক্ত কাগজপত্রসহ নির্ধারিত বিশ (২০.০০) টাকার কোর্ট ফি সংযুক্ত অন্তে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করতে হয়। আবেদনের বিষয়ে যথাযথভাবে তদন্ত অন্তে জমির বর্তমান শ্রেণি মোতাবেক সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী ডিসিআর যোগে ইজারা টাকা আদায় করা হয়। উল্লেখ্য ইজারাকৃত জমি কোনক্রমেই সাব-লীজ বা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকে জমির প্রকৃতি পরিবর্তন করলে ইজারা বাতিল যাবে।
“খ” তফসিল বা “খ” গেজেটভুক্ত বা বন্ধ হোল্ডিং এর সম্পত্তি: উপযুক্ত কাগজপত্রসহ ভূমি উন্নয়ন কর প্রদানের নিমিত্ত নির্ধারিত বিশ (২০.০০) টাকার কোর্ট ফি সহ সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর আবেদন করতে হয়। প্রাপ্ত আবেদনের বিষয়ে (দাখিলকৃত কাগজপত্র, রেকর্ডপত্র ও সরেজমিন) তদন্ত পূর্বক ভূমি উন্নয়ন কর গ্রহণের নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে মতামতসহ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়। প্রাপ্ত প্রতিবেদনের আলোকে একটি বিবিধ মামলা রুজু করা হয় এবং আবেদনকারী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তাকে নোটিস প্রদানের মাধ্যমে শুনানির দিন ধার্য করা হয়। কাগজপত্রের সঠিকতা ও সরেজমিন ভোগ দখল থাকলে ভূমি উন্নয়ন গ্রহণ জন্য আদেশ দেয়া হয়।
কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে গ্রাস করার কুমতলবে সরকারি সম্পত্তি ভোগ দখল করে তাহলে প্রতিবেদন সংগ্রহ অন্তে এ অফিস হতে নোটিস করে উচ্ছেদ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।
সরকারি নীতিমালা মোতাবেক হাট-বাজার কোন অবস্থাতেই ব্যক্তিমালিকানায় থাকতে পারে না। সেক্ষেত্রে কোথাও কোন হাট-বাজার প্রতিষ্ঠিত হলেই সার্ভেয়ার দ্বারা তদন্ত করতঃ হাট-বাজারটি পেরীফেরী প্রস্তুত করে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে সরকারি সম্পত্তি হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
পলিসি
|
Date |
Document |
|
|
01-12-2012 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
ভূমি সংক্রান্ত আইন-কানুন
|
Date |
Document |
|
|
01-02-2013 |
Amendment of Vested Property Release Act, 2001 (Act. 22 of 2012) |
|
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
||
|
01-02-2013 |
Dhaka Elevated Expressway Project (Land Acquisition) Law, 2011 |
|
|
01-02-2013 |
||
|
10-10-2013 |
||
|
20-12-2010 |
বালুমহাল ইজারা প্রদান ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন |
|
|
01-01-2014 |
||
|
25-05-2014 |
||
|
1951 |
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 (East Bengal Act) |
|
| 1959 | The Hats and Bazars (Establishment and Acquisition) Ordinance, 1959 (East Pakistan Ordinance) | |
| 1875 | The Survey Act, 1875 | |
| 1913 | The Public Demands Recovery Act, 1913 (Bengal Act) | |
| 1970 | The Government and Local Authority Lands and Buildings (Recovery of Possession) Ordinance, 1970 (East Pakistan Ordinance) | |
| 1976 | The Land Development Tax Ordinance, 1976 | |
| 1984 | The Land Reforms Ordinance, 1984 | |
| 1982 | The Acquisition and Requisition of Immovable Property Ordinance, 1982 | |
| 2010 | বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০ | |
বিবিধ
|
|
||
|
|
ভূমি আইন সংক্রান্ত কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় |
| আদায়ের খাত | মোট দাবী | মোট আদায় | শতকরা হার | মন্তব্য |
|---|---|---|---|---|
| সাধারণ | ৪৭,৮৩,৩৮৩/- | ৪৫,০২,০৯২/- | ৯৪.১১% | এপ্রিল/১৬ পর্যন্ত আদায় |
| সংস্থা | ১২,৭২,৭৫৫/- | ৪,০৬,৮৬৫/- | ৩১.৯৬% | |
| মোট | ৬০,৫৬,১৩৮/- | ৪৯,০৮,৯৫৭/- | ৮১.০৫% |
কোন ব্যক্তি জমির মালিকানা অর্জন করলে তার নামে ভূমি উন্নয়ন কর দেয়ার সুবিধার্থে এবং জমির স্বত্ত্বলিপি সংশোধন ও হাল করে নতুন মালিকের নাম রেকর্ডভূক্ত করনের আইনানুগ প্রক্রিয়াকে নামজারি (Mutation) বলে।
নিম্নোক্ত কারনে নামজারি/মিউটেশন করতে হয়ঃ
আবেদন নামন্জুর হলে ৩০ দিনের মধ্যে সহকারী কমিশনার(ভ’মি) বরাবর রিভিউ এর জন্য আবেদন করতে পারেন। এছাড়া নামজারি নামন্জুর হলে সহকারী কমিশনার(ভ’মি) এর আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) বরাবর ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) এর আদেশের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(রাজস্ব) বরাবর ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(রাজস্ব) এর আদেশের বিরুদ্ধে ভূমি আপিল বোর্ডে ৯০ দিনের মধ্যে আপিল করতে পারেন।
বকেয়া ভূমি উন্নয়ন করের জন্য আপনার জমি নিলাম হতে পারে। আজই আপনার বকেয়াসহ হাল ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) পরিশোধ করুন এবং আপনার মূল্যবান জমি রক্ষা করুন।
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৫০ ধারার ক্ষমতাবলে রাজস্ব অফিসার অর্থাৎ সহকারী কমিশনার (ভূমি) ধারা-১১৬, ১১৭ ও ১৪৩ এর দ্বারা নামজারি/জমাখারিজ/জমাএকত্রিকরণ-এর যে আদেশ দিয়ে থাকেন তা উপযুক্ত প্রমাণাদির সাপেক্ষে রিভিউ বা পুনর্বিবেচনারও অধিকার রাখেন। উক্ত ১৫০ ধারার আওতায় যে সব কারণে বিবিধ মামলা দায়ের করা হয় সেগুলি হল -
বিবিধ মামলা দায়েরের পদ্ধতি
বিবিধ মামলা দায়েরের জন্য আবেদনের পর অনুসৃত পদ্ধতি
প্রথমেই আপনাকে একটা বিশ্বাস রাখতে হবে তা হল, নামজারি একটি সহজ প্রক্রিয়া এবং আপনি নিজেই তা সম্পন্ন করতে পারেন। আরো বিশ্বাস রাখতে হবে, কোন প্রকার দালাল/ভূমিদস্যু/মুন্সী বা অন্য কোন মধ্যস্থতাকারীর সহায়তা ছাড়াই আপনি নিজেই তা করতে পারেন। এতে হয়তো আপনার কিছু সময় ব্যয় হবে কিন্তু আপনার বহু অর্থের অপচয় যেমন বন্ধ হবে তেমনি দালালদের অন্যায় আবদার কিংবা ভূমি অফিসের অসাধু ব্যক্তিদের দ্বারা প্রতারিত হয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ভোগান্তির সম্ভাবনা কমে যাবে।
দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, নিজে নামজারি প্রক্রিয়াটি বুঝতে যদি আপনার সমস্যা হয় তাহলে এসি ল্যান্ড সদর সার্কেল অফিসে একটি ‘হেল্পডেস্ক’ বা ‘সেবাকেন্দ্র’ খোলা রয়েছে। একজন দায়িত্ববান অফিস সহকারী সার্বক্ষণিক আপনাকে সহযোগিতার জন্য নিয়োজিত আছেন। আপনার যে কোন সমস্যায় তিনি সহযোগিতা করবেন (মোবাইল নম্বর: ০১৭৯৬৪৩১৭৪৩)।
তারপরও যদি কোন বিষয়ে আপনার অধিকতর জানার প্রয়োজন থাকে তাহলে আপনি সরাসরি এসি ল্যান্ডের সাথে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না (০১৭৩৩৩৩৫৪২২, ০৫১- ৬৪২১০)। আমরা বরং খুশী হবো।
এখন চলুন আমরা জানি নামজারি কীভাবে করতে হয়। প্রথমে আপনাকে কয়েকটি বিষয় জানতে হবে যা নীচে দেয়া হল: নামজারি করা কখন প্রয়োজন হয়:
যে সকল কারণে ভূমি উন্নয়ন কর সরকারের নিকট দাখিল করা জরুরি তা হল-
ভূমি মন্ত্রণালয়ের শাখা-৩ এর স্মারক নম্বর-ভূঃমঃ/শা-৩/কর/১০০/৯২-১০৬(১০০০); তারিখ: ৩০.০৫.১৯৯৫ প্রজ্ঞাপন মোতাবেক সর্বশেষ সংশোধিত ভূমি উন্নয়ন করের নির্ধারিত হার নিম্নরূপ:
১) কৃষি জমির ভূমি উন্নয়ন করঃ
< style="border-collapse: collapse; border: none;" border="1" cellpadding="0" cellspacing="0">
জমির পরিমাণ
ভূমি উন্নয়ন করের হার
(ক) ৮.২৫ একর পর্যন্ত
ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে না
(খ) ৮.২৫ একরের উর্দ্ধ এবং ১০.০০ একর পর্যন্ত
প্রতি শতাংশ ০.৫০ টাকা হারে
(গ) ১০.০০ একরের উর্দ্ধে
প্রতি শতাংশ ১.০০ টাকা হারে
|
|
শিল্প/বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত জমির করের হার |
আবাসিক অথবা অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত জমির করের হার |
|
(ক) ঢাকা জেলার কোতয়ালী, মীরপুর, মোঃপুর, সূত্রাপুর, সবুজবাগ, ডেমরা, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট, উত্তরা, টঙ্গী, কেরানীগঞ্জ থানা এলাকা। |
১২৫.০০ (একশত পঁচিশ) টাকা প্রতি শতক |
২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(খ) নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর, ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা এলাকা। |
১২৫.০০ (একশত পঁচিশ) টাকা প্রতি শতক |
২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(গ) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর থানা এলাকা |
১২৫.০০ (একশত পঁচিশ) টাকা প্রতি শতক |
২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(ঘ) চট্টগ্রাম জেলার কোতয়ালী, পাঁচলাইশ, ডবলমুরিং, সীতাকুন্ড, বন্দর, হাটহাজারী, পাহাড়তলী ও রাঙ্গুনিয়া। |
১২৫.০০ (একশত পঁচিশ) টাকা প্রতি শতক |
২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(ঙ) খুলনা জেলার কোতয়ালী, দৌলতপুর, দিঘলিয়া ও ফুলতলা থানা এলাকা |
১২৫.০০ (একশত পঁচিশ) টাকা প্রতি শতক |
২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(চ) অন্য সকল জেলা সদরের পৌর এলাকা |
২২.০০ (বাইশ) টাকা প্রতি শতাংশ |
৭.০০ (সাত) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(ছ) জেলা সদরের বাইরে অন্যান্য পৌর এলাকা |
১৭.০০ (সতের) টাকা প্রতি শতাংশ |
৬.০০ (ছয়) টাকা প্রতি শতাংশ |
|
(জ) পৌর এলাকা ঘোষিত হয় নাই এমন এলাকা |
১৫.০০ (পনের) টাকা প্রতি শতাংশ |
৫.০০ (পাঁচ) টাকা প্রতি শতাংশ |
| ক্রমিক | দলিল গ্রহিতা | দলিল দাতা | মৌজার নাম | খতিয়ান নং | দাগ নং | জমির পরিমান |
|---|
সাবরেজিষ্ট্রি সাইটের কাজ চলছে।